কীভাবে ব্যবহার করবেন
- 01
বাম ঘরে লেখা পেস্ট করুন, অথবা একটা .txt বা Word .docx ফাইল খুলুন। ফলাফল সঙ্গে সঙ্গে ডান ঘরে আসে।
- 02
কপি করুন চেপে Word, Illustrator, Photoshop বা InDesign এ পেস্ট করুন।
- 03
বিজয় লেখা হলে পেস্ট করা অংশের ফন্ট SutonnyMJ করে দিন। অন্য ফন্টে Avgvi এর মতো দেখাবে, সেটাই স্বাভাবিক।
লেখার মধ্যে ইংরেজি শব্দ থাকলে সেগুলোও SutonnyMJ ফন্টে বাংলার মতো দেখায়। ওই অংশে আলাদা করে ইংরেজি ফন্ট দিন।
সাধারণ প্রশ্ন
ইউনিকোড আর বিজয় (SutonnyMJ) লেখার পার্থক্য কী?
ইউনিকোড বাংলা লেখার আন্তর্জাতিক মান: যেকোনো ফন্ট, ফোন, ওয়েবসাইট আর সার্চে একই লেখা ঠিকঠাক পড়া যায়। বিজয় পুরনো ASCII পদ্ধতি, যেখানে বাংলা অক্ষর ইংরেজি কোডে রাখা থাকে, তাই SutonnyMJ-এর মতো MJ ফন্ট ছাড়া লেখাটা ভাঙা ইংরেজি অক্ষরের মতো দেখায়। ছাপাখানা, দলিল আর অনেক অফিসে এখনও বিজয় চলে।
ইউনিকোড থেকে বিজয়ে কীভাবে কনভার্ট করব?
বাম ঘরে ইউনিকোড বাংলা লেখা পেস্ট করুন, বিজয় (SutonnyMJ) লেখা সঙ্গে সঙ্গে ডান ঘরে আসবে। এরপর “কপি করুন” চেপে Word, Illustrator, Photoshop বা InDesign-এ পেস্ট করুন এবং পেস্ট করা অংশের ফন্ট SutonnyMJ করে দিন। বিজয় থেকে ইউনিকোডে যেতে উপরে “বিজয় → ইউনিকোড” বেছে নিন।
Word (.docx) ফাইল কি সরাসরি বিজয়ে বদলানো যায়?
হ্যাঁ, “ফাইল খুলুন” দিয়ে ইউনিকোড বাংলায় লেখা .docx ফাইলটি দিন, তারপর “ডাউনলোড .docx” চাপুন। টেবিল, বোল্ড আর হেডারসহ পুরো ফাইলের বাংলা অংশ SutonnyMJ ফন্টে বিজয়ে বদলে যায়, ইংরেজি অংশ থাকে আগের ফন্টেই। পুরনো .doc ফাইল হলে আগে Word-এ খুলে .docx হিসেবে Save As করে নিন।
বিজয় লেখা পেস্ট করার পর “Avgvi” এর মতো দেখায় কেন?
কারণ বিজয় লেখা আসলে ইংরেজি কোডে রাখা বাংলা, শুধু SutonnyMJ বা অন্য কোনো MJ ফন্ট দিলেই সেটা বাংলা হয়ে দেখায়। তাই “Avgvi” দেখানোটা স্বাভাবিক, ভুল নয়। পেস্ট করা অংশ সিলেক্ট করে ফন্ট SutonnyMJ করে দিন; কম্পিউটারে ফন্টটি না থাকলে আগে সেটি ইনস্টল করে নিন।
আমার লেখা বা ফাইল কি কোথাও পাঠানো হয়?
না, রূপান্তরের পুরো কাজ আপনার নিজের ব্রাউজারেই হয়; লেখা বা ফাইল কোনো সার্ভারে পাঠানো হয় না, কোথাও জমাও থাকে না। তাই জমির দলিল, অফিসের চিঠি বা ব্যক্তিগত কাগজও নিশ্চিন্তে কনভার্ট করতে পারেন। একবার পেজটি খোলার পর ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকলেও কনভার্টার আগের মতোই চলে।
এই কনভার্টার কি বিনামূল্যে, আর ইন্টারনেট ছাড়া চলে?
হ্যাঁ, এটি AIOSOL-এর একটি বিনামূল্যের টুল; কোনো অ্যাকাউন্ট, রেজিস্ট্রেশন বা ইমেইল লাগে না। একবার খোলার পর ইন্টারনেট ছাড়াও চলে, আর ফোন বা কম্পিউটারে অ্যাপ হিসেবেও রেখে দেওয়া যায়: ব্রাউজারে “অ্যাপ হিসেবে রাখুন” বোতাম দেখা গেলে সেটি চাপুন, তারপর অন্য অ্যাপের মতোই হোম স্ক্রিন বা স্টার্ট মেনু থেকে খুলুন।